Digha Tour Guide Bangla

দিঘা ভ্রমন সম্পুর্ণ গাইডেন্স।Digha Tour Guide Bangla

বাঙালি হয়ে দু-তিনবার দীঘা যাননি এমনটা হতে পারে না।পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে জনপ্রিয় এবং সবথেকে জনবহুল সমুদ্র সৈকত দীঘা ,যেটি পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরে অবস্থিত ।আমাদের সব থেকে প্রিয় গন্তব্য স্থল এবং আমরা কিন্তু দিঘাতে ভ্রমণ করে নিতে পারি। কারণ এখানে যেমন ভ্রমণ খরচ কম ,তেমন অপূর্ব মনোরণ পরিবেশে পরিপূর্ণ এই পুরো দীঘা আমরা ঘুরে আসতে পারি।তবে অনেকেই তো দিঘা ঘুরেছেন, কিন্তু এমন কিছু জায়গা হয়তোবা আপনি দিঘাতে গিয়ে মিস করে দিয়েছেন।চলুন আমরা ঘুরে আসি সেই অপূর্ব সমুদ্র সৈকত।

দিঘা ঘোরার সঠিক সময়:

এপ্রিল মাস থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর আপনি যখন খুশি দীঘা ভ্রমণ করতে পারে, বাকিটা সময় কিন্তু অফ সিজন থাকে। তখন জিনিসপত্রের দাম এবং হোটেল ভাড়া ও কিন্তু অনেকটাই কম থাকে। কিন্তু এপ্রিল থেকে আগস্ট সেপ্টেম্বর অব্দি হোটেল ভাড়া একটু বেশি এবং জিনিসপত্রের দামও কিন্তু একটু বেশি থাকে ।

কিভাবে পৌঁছাবেন:

কলকাতা থেকে তিন রকম ভাবে পৌঁছাতে পারেন।

ট্রেন :

ট্রেনের নামAC2sজেনারেলসময়
তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস370100656:35
কান্ডারী এক্সপ্রেস103055511:00
দিঘা সুপারফাস্ট3701006517:37

আপনি আপনার সময় মত যে কোন ট্রেনে দীঘা পৌঁছতে পারেন।

বাস:

যদি আপনি মনে করেন যে আপনি বাসে দীঘা যাবেন তাহলে এসি বাসে মাত্র 200 টাকায় আপনি কিন্তু দীঘা পৌঁছে যেতে পারেন। হাওড়া থেকে হাওড়া থেকে দিঘা অব্দি মাত্র 200 টাকা।

হেলিকপ্টার:

প্রতি শনিবার কলকাতা থেকে দিঘা অব্দি হেলিকপ্টার করে যেতে পারেন। হেলিকপ্টার এর সিডিউল এবং এর টিকিট পাওয়া খুবই মুশকিল।টিকিট মূল্য হচ্ছে দুই হাজার টাকা তবে এক্সপেরিয়েন্স করার জন্য আপনি একদিন কিন্তু গেলেও যেতে পারেন। দুই হাজার টাকা খরচ করে কলকাতা থেকে দিঘা ।

দিঘাই আশ্রয়ের অবস্থান:

দিঘাতে পৌঁছনোর পর আশ্রয় এর জন্য এবার হোটেল কিভাবে ভাড়া করবেন দিঘাতে ।আগে বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন বাস ড্রাইভার এর মাধ্যমে এবং হাওড়া থেকে হোটেল ভাড়া হতো এবং কলকাতা থেকে হোটেল ভাড়া।কিন্তু বর্তমানে মেকমাইট্রিপ, গইবিবো এইগুলো app আসার পর থেকে দিঘার হোটেলের পরিস্থিতি কিন্তু পরিবর্তন হয়ে গেছে। আপনি গইবিবো তে কিংবা মেকমাইট্রিপ এ হোটেল ভাড়া করে নিতে পারেন ।এখানে খুবই কম আড়াইশো টাকা থেকে শুরু করে 5000 টাকা অব্দি হোটেল ভাড়া এখানে পাবেন। তবে আপনি আপনার সুবিধা মতো হোটেল ভাড়া করে নিতে পারেন।

দিঘাতে কোথায় থাকবেন?

থাকার দিক থেকে যদি বলা হয় অনেকে ওল্ড দিঘা তে থাকে ,আবার অনেকে নিউ দিঘা তে থাকে ।বর্তমানে নিউ দীঘা অনেক জমজমাট হলেও সন্ধ্যা বেলাটা কিন্তু ওল্ড দিঘা অনেক জমজমাট ।আমি যতবারই দীঘা গেছি, আমি কিন্তু ওল্ড দিঘা তে স্টে করেছিলাম। ওল্ড দিঘা তে খাওয়া-দাওয়ার খুব ভালো পাওয়া যায়। সন্ধ্যেবেলা বিশেষ করে সমুদ্রসৈকতে একটা অনুভূতি আলাদা হয় কারণ সেখানে মার্কেট বসে। সামুদ্রিক মাছ ভাজা পাওয়া যায় তাছাড়া বন্ধু-বান্ধবদের সাথে সেখানে সেখানকার সমুদ্রের বিচে হাঁটাচলা করা সেটা একটা আলাদা অনুভুতি সৃষ্টি হয়। যেটি নিউ দিঘা তে হয় না।

আবার উল্টোদিকে ওল্ড দিঘাতে আপনি স্নান করতে পারবেন না ।আপনাকে স্নান করতে গেলে যেতে হবে সেই নিউ দিঘা তে। ওল্ড দিঘা থেকে নিউ দিঘা তে যেতে ভ্যানে করে কুড়ি টাকা নিয়ে থাকে।

দিঘাই খাওয়া দাওয়া:

আমরা দিঘাতে পৌঁছে গেলাম ঘর ভাড়া নিয়ে নিলাম এবার খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা। দিঘাতে প্রচুর পরিমাণ বাঙালি হোটেল আছে, এখানে সামুদ্রিক মাছ মাংস সমস্ত কিছু এখানে পেয়ে যাবেন। যে হোটেলে আপনি থাকছেন সেই হোটেলে রেস্টুরেন্ট থাকলে তো খুবই ভালো, সে হোটেল আপনি খেয়ে নিলেন তাছাড়া আশেপাশে রেস্টুরেন্টে গিয়ে আপনি কিন্তু আপনার ভোজন সেরে নিতে পারেন। কোন ধরনের কোন অসুবিধা নেই।

তবে আমি বলব যে দুদিনে ঘোরা সম্ভব তবে সবকিছু ঘোরা সম্ভব নয়, তার জন্য বলব দিঘাতে গেলে একটু সময় নিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয় ।একটু সময় নিয়ে গেলে আপনি সমস্ত দীঘা ঘুরতে পারবেন।তাই বলব যে দিঘাতে মোটামুটি চার দিনের জন্য যান, কারণ দিঘাতে পৌঁছাতে মাত্র কলকাতা থেকে আপনার 3 ঘন্টা সময় লাগবে। তাহলে আপনি কেন এতগুলো দিবেন?অন্তত 4 দিন সময় নিয়ে গেলে অন্তত সমস্ত দীঘায় ফ্লোর করতে পারবেন।

দিঘাই কোন কোন জায়গায় ঘুরতে পারেন:

দিঘা রেলওয়ে স্টেশন:

যারা ট্রেনে করে দীঘা দিঘা যাবেন তারা, রেলওয়ে স্টেশনে অবশ্যই নামবেন।কারণ দিঘা রেলওয়ে স্টেশন আর দশটা রেলওয়ে স্টেশনের মতো নয়, এটি কিন্তু প্রচণ্ড সাফ সূত্র এবং প্রচন্ড হাইজেনিক এখানে আপনি কিন্তু বসে আড্ডা দিতে পারেন, ছবি-টবি তুলতে পারেন, এখানে কিন্তু একটু বন্ধু-বান্ধবদের সাথে গল্প করতে পারবেন ।কারণ আপনি একবার এখান থেকে চলে গেলে ,পরবর্তীতে যখন আপনি আবার বাড়ি ফেরার জন্য আসবেন তখন কিন্তু আপনার বাড়ি ফেরা তারা থাকবে। তখন কিন্তু ভালোভাবে রেলওয়ে স্টেশন কিন্তু আপনি দেখতে পাবেন না ।কারণ আপনি যখন পৌঁছাবেন 9:55, আমি ধরে নিচ্ছি আপনি সকালের ট্রেনে যাবেন কারণ বারোটার সময় হোটেলে চেকিং হয় ,9:55 তে কিংবা দশটার মধ্যে যখন পৌঁছাবেন ,তবে আপনাদেরকে রিকোয়েস্ট করব দশটা থেকে সাড়ে দশটার অর্থাৎ 30 মিনিট দীঘা রেলওয়ে স্টেশন দেখে নিতে পারেন।
যারা বাসে যাবেন তাদেরকে আবার উল্টো কিন্তু দীঘা রেলওয়ে স্টেশনে আসতে হবে দেখার জন্য।

বিশ্ববাংলা গেট:

পরবর্তী গন্তব্য স্থান বিশ্ববাংলা গেট।দিঘার সবথেকে বড় আকর্ষণ বিশ্ববাংলা ।যারা বাসে যাবেন তারা কিন্তু এই গেটটি দেখতে পাবেন। কিন্তু যারা ট্রেনে যাচ্ছেন তারা কিন্তু এই গেটটি দেখতে পাবে না, তবে তারা টোটো করে 10 টাকা ভাড়া দিয়ে এই একটি অবশ্যই দেখতে যাবেন। এখানে ছবি তোলা থেকে শুরু করে ভিডিও শুটিং সবকিছু করতে পারেন।

সমুদ্র স্নান:

এবার স্নানের কথা বলি ওল্ড দিঘা তে আপনি খবরদার স্নান করতে নামবে না, অনেকে আবার নামে স্নান করতে তবে যারা সেখানকার বাসিন্দা হয়তোবা তারা নামে, কিংবা যারা অনেকবার বার দীঘা গিয়েছেন তারা। ওল্ড দিঘাতে প্রচন্ড পরিমাণ দুর্ঘটনা এর আগেও ঘটে গেছে। ওল্ড দিঘা সম্পূর্ণটাই কিন্তু বাঁধানো সিমেন্ট দিয়ে ,তবে এখানে যদি আপনার পা পিছলে যায় তাহলে কিন্তু সমুদ্রের ঢেউয়ের ধাক্কায় আপনি কিন্তু বাঁচতে পারবেন না নেগেটিভ কথা বলা উচিত নয় কিন্তু সতর্ক বার্তা হিসেবে আপনাকে জেনে রাখা উচিত ।

স্নান করতে গেলে আপনাকে যেতে হবে কিন্তু নিউ দিঘা তে,নিউ দিঘা তে আপনার স্নান, মার্কেট কেনাকাটি ,অন্যান্য জিনিস গুলো কিন্তু নিউ দিঘা তে পেয়ে যাবেন এবং ওল্ড দিঘা থেকে নিউ দীঘা দূরত্ব 2 কিলোমিটার হাঁটতে হাঁটতে গল্প করতে করতে চলে যেতে পারে। তাছাড়া টোটো কিংবা ভ্যান ভাড়া করে আপনি যেতে পারেন যেখানে কুড়ি টাকা করে ভাড়া নেবে।

অমরাবতী পার্ক:

পরবর্তী গন্তব্য স্থল অমরাবতী পার্ক ।অমরাবতী পার্ক নিউ দিঘা তে অবস্থিত, ওল্ড দিঘা থেকে আড়াই কিলোমিটার এবং নিউ দীঘা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অমরাবতী লেকের পাশে, অমরাবতী পার্ক অবস্থিত ।পার্কিংয়ের bordig এর ব্যবস্থা আছে। রোপে আছে রাইডিংস আছে তবে এখানে যদি আপনি একটু , নিজের মনোরম পরিবেশে আপনি নিজে একটু অনুভূতি নিতে চান তাহলে কিন্তু এখানে আপনি আসতেই পারেন।

কাজলদীঘি:

কাজলদীঘি হচ্ছে একটি টয় ট্রেন স্টেশন। এখানে টয় ট্রেনের ব্যবস্থা আছে একটি জলাশয় আছে। এখানে কিন্তু হেলিপ্যাডে অর্থাৎ আপনি যদি হেলিকপ্টারের নামেন। অর্থাৎ কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে যদি আপনি দিঘাতে যান, তাহলে কিন্তু আপনাকে নামতে হবে সেই কাজলদীঘিতে। ফলে কাজলদীঘি দেখাও হয়ে যাবে এবং আপনার ঘোরাও হয়ে যাবে তা কাজলদীঘিতে আমি বলবো তো সন্ধ্যেবেলা নাগাদ যেতে কারণ এখানে যে লেক বা জলাশয় আছে । সেই পাশে খুব সুন্দর ভাবে লাইটিং করে একটি মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়। আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ড কিংবা ওয়াইফের সাথে এখানে কিন্তু সময় কাটাতে পারেন ।

দীঘা স্পেস এন্ড অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টার:

দ্বিতীয় দিনে আপনি যাবেন দীঘা স্পেস এন্ড অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টার। এটি একটি সংরক্ষনালয় ,এই সংরক্ষনালয়ে আপনি অনেক কিছু সংরক্ষিত দেখতে পাবেন। সংরক্ষনালয় যদি যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনি যেতে পারেন। এখানে কিন্তু সমুদ্র সম্বন্ধে বিভিন্ন স্পেসিস এবং অন্যান্য যে সমস্ত পাথর এবং সমস্ত স্পেসিসগুলি সমুদ্র তে পাওয়া যায় সেগুলি এখানে সংরক্ষণ করা আছে ।এটি কিন্তু অবশ্যই আপনার একটি গন্তব্যস্থলের মধ্যে পড়ে।
আর তাছাড়া সেই রাস্তাতেই থাকবে কিন্তু উদয়পুর সি বিচ উদয়পুরের কথা শোনেনি এমন কিন্তু হতে পারে না।

উদয়পুর সি বিচ:

পরবর্তী গন্তব্য স্থল আমাদের উদয়পুর সি বিচ ।নিউ দীঘা থেকে তিন কিলোমিটার এবং ওল্ড দিঘা থেকে 5 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।এখানে ছবি তুলতে পারবেন এবং মাছ ভাজা খাবার মজা নিতে পারবেন।সঙ্গে পেয়ে যাবেন চন্দনেশ্বর শিব মন্দির এবং কাজু বাগান গাছ ,কাজু বাগান গাছ কিন্তু আপনাকে একদম পুরো মুগ্ধ করে তুলবে ।

তালসারি:

আমাদের তারপরে গন্তব্য স্থল হচ্ছে তালসারি।
এটি নদীতে আপনার কিন্তু খুব মনোরম দৃশ্য আপনি দেখতে পাবেন। সেটি হচ্ছে লাল কাঁকড়া নিউ দীঘা থেকে 6 কিলোমিটার এবং ওল্ড দিঘা থেকে আট কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।আমরা কিন্তু সমস্ত একলাইন বরাবরই যাচ্ছি ।তবে আপনি একদিনে কিন্তু এই সম্পূর্ণ জার্নিতে কিন্তু সেরে ফেলতে পারবেন। তালসারি কে লাল কাকড়ার বাসস্থান বলা হয়, এখানকার লাল কাকড়া কিন্তু অসাধারণ ,তবে আগের থেকে এই লাল কাঁকড়ার পরিমাণ অনেক কমে গেছে ।আগে প্রচুর পরিমানে লাল কাঁকড়া দেখা যেত কিন্তু বর্তমানে মানুষের উপদ্রব্যে লাল কাঁকড়া কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে এবং আমাদের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সেটি কিন্তু নষ্ট হচ্ছে। তবে আপনাদের কাছে অনুরোধ এই লাল কাঁকড়াগুলিকে দয়া করে মারবেন না। আপনি হয়তো বা ছবি তুলতে পারেন।

বিচিত্রপুর:

তারপরে তারপরে আমাদের আরেকটি গন্তব্যস্থলে সেটি হচ্ছে বিচিত্রপুর। একই রাস্তায় অবস্থিত বিচিত্রপুর নিউ দীঘা থেকে 12 কিলোমিটার এবং ওল্ড দিঘা থেকে 14 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।অনেক কিছু দেখার আছে এখানে কিন্তু আপনি লাল কাঁকড়া পেয়ে যাবেন এবং সুন্দর সামুদ্রিক অনুভূতি এখানে দেখতে পাবেন। বিচিত্রপুর ঘুরে আসতে ভুলবেনা।

মন্দারমনি:

আমাদের গন্তব্য স্থল মন্দারমনি মন্দারমনি দীঘা থেকে 28 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।এটি শান্ত এবং সুষ্ঠু পরিবেশ অঞ্চল এখানে romantic-couple এখানে উপস্থিত থাকতে পারে। বিয়ের পর অনেকে হানিমুনে দীঘায় যায়।আমি তাদেরকে বলবো যে বিয়ের পর একটু মন্দারমনি থেকে ঘুরে আসতে। দীঘা অনেকটাই জনবহুল মন্দারমনি অনেকটাই শান্ত। এখানে লোকজন একটু কম আসে তবে অনুভূতি সেই একই মন্দারমনি তে হোটেল ভাড়া একটু বেশি দিঘার থেকে,দিঘাতে যেই হোটেল আপনি 300 টাকা থেকে 400 টাকায় পেয়ে যাবেন মন্দারমণিতে যেতে হাজার টাকার কাছাকাছি আপনার ভাড়া লেগে যাবে। তবে যেহেতু এটি মনোরম সেহতু কিন্তু আপনি মন্দারমনি যেতে ভুলবেন না। এখানে কিন্তু আপনি লাল কাঁকড়া দেখতে পাবেন এবং আপনার কাছে একটি অনুরোধ থাকবে যে আপনি হয়তো দুদিন মন্দারমণিতে কাটিয়ার আসুন।

শংকরপুর:

শংকরপুর সি-বিচ যা দিঘা থেকে 14 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।এই শংকরপুর সি-বিচ গিয়ে দেখতে পাবেন মাছ ধরা।দিঘার সমুদ্র সৈকতে যত মাছ আসে ।তার সম্পর্ক শংকরপুর সি-বিচ এর সঙ্গে এবং এখন থেকে সমূর্দ্রিক মাছ রপ্তানি হয়।এখানে গিয়ে আপনি মাছ বাজার অনুভূতি নিতে পারেন।তবে অপেক্ষাকৃত একটু গন্ধের কারণ এখানে সামুদ্রিক মাছ উঠে আসে ফলে প্রচুর সামুদ্রিক মাছ নষ্ট হয় ফলে একটু গন্ধেলো পরিবেশ থাকে।

মোহনা:

এর পরে আমাদের গন্তব্য স্থল মোহনা।মোহনায় আপনি কি কি দেখতে পাবেন?চম্পা নদি এসে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে এই মোহনাতে।তার জন্য এই জায়গার নাম মোহনা ।এখানে আপনি মাছ ভাজা এবং শুটকি মাছ ভাজা ও অন্যান্য মাছ ভাজার অনুভূতি নিতে পারবেন এই সমুদ্র সৈকত অনেকটাই কিন্তু বিস্তৃত তাই এখানে ডুবেযাওয়ার ভয় অনেকটা কম।দিঘাতে যেমন তলানি সমুদ্র সৈকত কিন্তু এখানে বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত।এখানে কিন্তু আপনার জানান করা অনেক বেশি শ্রেয়াও।তাই সকাল সকাল গিয়ে আপনি স্নান করে নিতে পারেন।এখানে মাছের বাজার বসে এখানে দিঘার যত হোটেলের মাছ এই বাজার থেকে কিনে নিয়ে যাওয়া হয়।

তাজপুর:

আমাদের সর্বশেষ ভ্রমণ স্থান হলো তাজপুর।তাজপুর হলো সমুদ্র বন্দর।এই তাজপুর যদি আপনি না গিয়ে থাকেন তবে বলবো এই সমুদ্র বন্দরটি অবশ্যই ঘুরে আসবেন।এই সমুদ্র বন্দর আবারো ভালোভাবে তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।সুযোগ পেলে অবশ্যই তাজপুর ঘুরে আসবেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *