lunar eclipse

5ই জুন চন্দ্রগ্রহণ ভারত বাংলাদেশ সময়।5 jun lunar eclipse 2020

(lunar eclipse 2020)আগামী 5 ই জুন ঘটতে চলেছে আর এক মহাজাগতিক ঘটনা চন্দ্রগ্রহণ ।একই মাসে সূর্যচন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ পেতে চলেছে দেশবাসী ,আর এই জুন মাসেই ঘটতে চলেছে এই মহাজাগতিক ঘটনা যা খুবই বিরল কখন ঘটবে চন্দ্রগ্রহণ এবং কোথা থেকে দেখা যাবে ?পাঁচ তারিখ জুন মাসের ভারতীয় সময় রাত 11 টা 15 মিনিটে এবং বাংলাদেশের সময় রাত্রি 11:45 শুরু হবে এই চন্দ্রগ্রহণ ।আর 6 জুন রাত 12:54 এর সর্বোচ্চ পর্যায় থাকবে আর গ্রহণ শেষ হবে ঐদিন ভোর 2:34 মিনিটে বাংলাদেশ শেষ হবে তিনটে চার মিনিটে।

5 ই জুন এবং 6 জুন দুদিনে গ্রহণ আসলে গ্রহণ একটাই শুরু হবে 5 তারিখ রাত্রে এবং প্রায় ঘণ্টা তিনেক ধরে চলবে এই গ্রহনটি ,তখন রাত্রি বারোটা বেজে গেলে হয়ে যাবে 6জুন তবে গ্রহণ কিন্তু একটাই ।

কোথা থেকে গ্রহণ দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ( lunar eclipse 2020)

গ্রহণ দেখা যাবে ভারত বাংলাদেশ ছাড়াও ইউরোপ আফ্রিকাএশিয়ার বেশ কিছু এলাকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে দেখা যাবে এই সময় বর্ষাকাল চলছে আমাদের ভারত এবং বাংলাদেশ তাই মেঘাচ্ছন্ন ।যদি আকাশ মেগাছন্ন থাকে এই গ্রহণ কিন্তু আমাদের চোখে ধরা দেবে না। তাই হতাশ হলে চলবে না ।

অন্যান্য গ্রহণের মতই নয় ,এই গ্রহনটি কিন্তু খুবই ম্লান দেখাবে চাঁদক।যেরকম অর্ধচন্দ্রাকার হয়ে যায় পৃথিবীর ছাযা সেই রকম ভাবেই গ্রহন টা হবেনা।

গ্রহণ আসলে কেন হয়?(lunar eclipse 2020)

পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরার সময় সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী চলে এলে সূর্যের আলো চাঁদ পর্যন্ত সরাসরি পৌঁছাতে পারে না। পৃথিবীতে যেটুকু আলো ছিটকে এসে চাঁদে পৌঁছায় সেটুকু আলোতে চাঁদ আলোকিত হয় ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয় ।

এই চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে কিন্তু অনেক রকম মতামত আছে আমরা বিজ্ঞানসম্মত মতামত বা জ্যোতিষশাস্ত্র এরা কি বলছেন আয়ুর্বেদ শাস্ত্র কি বলছে সমস্ত এই চন্দ্র গ্রহণ সম্পর্কে।এর মধ্যে কিছু কুসংস্কার জড়িয়ে আছে তবে পুরোটাই কি কুসংস্কার ? এইসব মতামতের বড় বড় গবেষকরা কি বলছেন সেটাই আমরা আলোচনা করবো।

  • গ্রহণ শুরুর 2ঘন্টা আগে খাওয়া বন্ধ করুন।
  • গ্রহণের আগে ও পরে হালকা সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করুন। হলুদে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় খাবারে হলুদ যোগ করতে পারেন ।আমিষ খাবার না খাওয়ার চেষ্টা করুন কারণ তা হজম হতে সময় লাগে।
  • রান্না করা খাবার কোথাও নিয়ে যাবেন না কারণ গ্রহণের ফলে উৎপন্ন বিভিন্ন ক্ষতিকর রেডিয়েশন খাবারের সঙ্গে মিশে যাবার সম্ভাবনা থাকে।
  • গর্ভবতী মহিলাবয়স্করা গ্রহণ চলাকালীন খাদ্য গ্রহণ করতে পারেন তবে হালকা খাবার যেমন ড্রাই ফ্রুট কিসমিস খেলে এনার্জি পাওয়া যায়।
  • জল পান না করা উচিত কিন্তু তেষ্টা পেলে ডাবের জল পান করতে পারেন এছাড়াও তুলসী পাতা সমেত ফুটিয়ে ঠান্ডা করে জল আপনি পান করতে পারেন।
  • দূর্বাঘাস খাবারের পাত্রের মধ্যে রেখে দেবেন এর ফলে খাবারের কোন মাইক্রো অর্গানিক বস্তুর জন্ম হতে পারে না।

এইগুলি সাধারণ মতবাদ বা এগুলো বলা হয়ে থাকে চন্দ্রগ্রহণ হয়ে থাকলে ভাই এগুলো করতে মানা করা হয়ে থাকে ।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযাই:

জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে যে গ্রহণের সময় ভূপৃষ্ঠে এসে পৌঁছানোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এবং আলো রেডিয়েশনে পরিবর্তন সংঘটিত হয় ,এর ফলে ওই সময় বিভিন্ন রোগের ক্ষতিকর জীবাণু অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে এর ফলে খাদ্যের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় ফলে সেই খাবার আর খাওয়ার উপযুক্ত অবস্থায় থাকে না ।(lunar eclipse 2020)এছাড়াও গ্রহণ চলাকালীন ধ্যান করার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং ইসলাম ধর্মে কোরআন পাঠ করার ও মতামত দেওয়া হয়ে থাকে। আর ভরা পেটে তুলনায় খালি পেটে ধান ভালো হয় বলে জানা যায় এই কারণে গ্রহণের দুই ঘন্টা আগে খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় যাতে ধ্যানে বসার আগে সব খাবার হজম হয়ে যায় বলে জ্যোতিষ শাস্ত্রে মতামত।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র:

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন গ্রহণে এটা করবে সেটা করবে না এসব আয়ুর্বেদে বলা হয়নি একমাত্র বলা হয়েছে গ্রহণ চলাকালীন কোন শুভ কাজ না করতে। তবে গ্রহণ চলাকালীন খাদ্য ও পানীয় গ্রহণের কোনো বাধা নেই।(lunar eclipse 2020)আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিজ্ঞান এবং তা কোনরকম কুসংস্কার প্রচার করে না গ্রহণের সময় খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকা এবং গ্রহণের পর অবশ্যই স্নান করা পুরোটাই কুসংস্কার।একজন মানুষ গ্রহণ চলাকালীন সাধারণ জীবনযাপন করলে কোন ক্ষতি হয় না ।তবেএই প্রসঙ্গে মেডি জোগাড় আবিষ্কারক ও পরিচালক যোগী অনুপ জানিয়েছেন, চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে অবস্থান করে এর ফলে জলস্তরে বেশকিছু ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বডি উৎপন্ন হয় তবে আমাদের দেহের 72% যেহেতু জল তাই আমাদের মানসিক কিছু পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা থাকে।

প্রচুর পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে ফলে যা হজম হতে দীর্ঘ সময় লাগে যা থেকে হজমের গোলমাল দেখা দিতে পারে এই কারণে গ্রহণ চলাকালীন হালকা খাদ্য গ্রহণ করা উচিত ।এছাড়া গ্রহণ চলাকালীন সাধারণ জীবন যাপন করতে কোন সমস্যা নেই কারণ বাদ বাকি সমস্ত কিছু কুসংস্কার।

বিজ্ঞানএর দৃষ্টিতে:

নাসার ধারণা গ্রহণ চলাকালীন মানুষের কোন শারীরিক পরিবর্তন হয় না তবে মানসিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

কুসংস্কার হোক বা না হোক মানুষ যেটা বিশ্বাস করে আর মেনে চলে তার উপর কিন্তু আমাদের কোন কথা বলার নেই। মানুষ তার নিজস্ব ধর্ম পালন করবে মানুষ তার মতামতের আদর্শকে মেন্টেন করবে আমরা নিরপেক্ষ চেষ্টা করলাম মতবাদ গুলোকে বিশ্লেষণ।( lunar eclipse 2020)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *